2.9 C
New York
Saturday, December 5, 2020
Home অর্থনীতি প্রথম কোয়ার্টারে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৩৬.৮৪ মিলিয়ন ডলার বেশি রপ্তানি

প্রথম কোয়ার্টারে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৩৬.৮৪ মিলিয়ন ডলার বেশি রপ্তানি

অর্থনীতিবিদ আবু আহমেদ বলেন, রপ্তানির প্রবৃদ্ধি আমাদের অর্থনীতিতে একটা ভাল দিক। আগামি কোয়ার্টার অর্থাৎ অক্টোবর-ডিসেম্বর যদি রপ্তানি বৃদ্ধি ধরে রাখতে পারি তাহলে আমাদের অর্থনীতি একটা ভাল অবস্থানে থাকবে। ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের মধ্যে আরএমজি সব থেকে একটি বড় অংশ। এগ্রিকালচার খাতে রপ্তানি বৃদ্ধির অনেক সুযোগ আছে এবং এগ্রিকালচার যদি একবার ভাল করতে পারে সেটা দেশের জন্য অনেক ভাল কিছু বয়ে আনতে পারে। এ খাতটি যদি রপ্তানি ক্ষেত্রে ভালভাবে সংযুক্ত হতে পারে তাহলে রপ্তানি খাতে অনেক ভাল করতে পারে। আরএমজির পাশাপাশি কৃষিখাতকে গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ। তাছাড়া কৃষি ভ্যালু অ্যাডিশন বেশি। যেসব কৃষিপণ্য রপ্তানি হচ্ছে সেসব খাতে সরকারের আরো বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। বড় ইকোনোমির দেশের সাথে ফ্রি ট্রেডে যেতে পারলে রপ্তানি আরো অনেক বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশকে আরএমজি ও রেমিটেন্স নির্ভরতার পাশাপাশি অন্যান্য খাতেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। সর্বপরি রিজিওনালি অনেক দেশের থেকে আমরা অর্থনীতিতে ভাল করছি।
২০২০-২১ অর্থবছরের মোট রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৪১ হাজার মিলিয়ন ইউএস ডলার। এর মধ্যে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতেরই লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৩৯ হাজার ৩৫৬ এবং হিমায়িত মাছ, তাজা মাছ ও কৃষিজাত পণ্যের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ৬৪৪ মিলিয়ন ইএস ডলার। জুলাই-সেপ্টেম্বর কোয়ার্টারে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৯ হাজার ৬৬০ মিলিয়ন ইউএস ডলার হলেও এই সময়ের মধ্যে মোট রপ্তানি হয়েছে ৯ হাজার ৮৯৬.৮৪ মিলিয়ন ইএস ডলার। অর্থাৎ জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে ২৩৬.৮৪ মিলিয়ন ইউএস ডলার। যা বিগত অর্থবছরের জানুয়ারি-মার্চ এবং এপ্রিল-জুন কোয়ার্টর সহ ২০১৯ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর কোয়ার্টার থেকে রপ্তানির পরিমাণ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
আরএমজি খাতের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ হাজার ৯৬০.০৮ মিলিয়ন ইউএস ডলার। এই লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে মোট ৮ হাজার ১২৬.৩৮ মিলিয়ন ইউএস ডলার রপ্তানি হয়। ১৬৬.৩ মিলিয়ন ইউএস ডলার অতিরিক্ত রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে নিটওয়্যার খাত ৪ হাজার ৪৬৩.৬৬ মিলিয়ন এবং ওভেন গার্মেন্টস ৩ হাজার ৬৬২.৭২ মিলিয়ন ইউএস ডলার। পাট ও পাটজাত দ্রব্যে রপ্তানির মোট লক্ষ্য ছিল ১ হাজার ১৬৭ মিলিয়ন ইউএস ডলার। এই অর্থবছরের প্রথম কোয়ার্টারের রপ্তানি লক্ষ্য ২৭৪.৯৬ মিলিয়ন ইউএস ডলার হলেও সে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে ৩০৭.৫৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার রপ্তানি হয়েছে।
চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্যের রপ্তানি টার্গেট ছিল ২১৬.৭৬ এবং রপ্তানি হয় ২২৫.১৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার। কৃষিখাতে লক্ষমাত্রা ছিল ২৫২.১ মিলিয়ন ইউএস ডলার সে লক্ষমাত্রা অতিক্রম করে রপ্তানি হয় ২৭১.৪৯ মিলিয়ন ইউএস ডলার। হিমায়িত ও মাছ রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৮৭.৩৪ এবং রপ্তানি হয় ৪০৩.০৯ ইউএস ডলার ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

রেমিট্যান্সের প্রণোদনায় শর্ত শিথিল

একবারে পাঁচ লাখ টাকার বেশি রেমিট্যান্সের বিপরীতে প্রণোদনার ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল করলো বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে রেমিট্যান্স প্রেরণকারীর পরিবর্তে এখানকার সুবিধাভোগী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা...

করোনার কয়েক কোটি টিকা সরবরাহ করবে চীন

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কোটি কোটি ডোজ করোনার টিকা সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। বর্তমানে দেশটিতে চারটি প্রতিষ্ঠানের পাঁচটি টিকা তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় রয়েছে।এর মধ্যে এগিয়ে...

বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতার সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে: যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মিলার

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সহযোগিতা বৃদ্ধি, কভিড-১৯ মহামারি এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সহযোগিতার সম্পর্ক অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার।সংবাদপত্রের সম্পাদকদের...

পাঁচ মাসে প্রবাসী আয় এক হাজার কোটি ডলার

অক্টোবরের তুলনায় সামান্য কম হলেও প্রবৃদ্ধির দিক থেকে রেকর্ড করেই চলেছে প্রবাসী আয়। অক্টোবর মাসে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছিলো ২১১ কোটি ২৪ লাখ...

Recent Comments