2.9 C
New York
Wednesday, October 28, 2020
Home অর্থনীতি রেমিট্যান্স হ্রাস ও অভিবাসী প্রত্যাবর্তন জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রত্যাশা বাংলাদেশের

রেমিট্যান্স হ্রাস ও অভিবাসী প্রত্যাবর্তন জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রত্যাশা বাংলাদেশের

বাংলাদেশে রেমিট্যান্সের প্রবাহ হ্রাস ও অভিবাসী কর্মীদের প্রত্যাবর্তনের মতো নেতিবাচক বিষয়গুলো সমাধান করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায় ঢাকা। জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ৭৫তম সাধারণ পরিষদের দ্বিতীয় কমিটির আওতায় দারিদ্র্য বিমোচনবিষয়ক ভার্চুয়াল এক সভায় দেয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। গতকাল যুক্তরাষ্ট্র থেকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে করোনা মহামারী ও জলবায়ু সংকটের মতো দ্বৈত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে। বাংলাদেশের এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জাতীয় প্রচেষ্টায় সমর্থন জোগাতে আরো বাড়তি অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদানের জন্য উন্নয়ন অংশীদারদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। কভিড-১৯ মহামারীতে প্রবাসী কর্মীরা যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে, তার উদাহরণ টেনে রেমিট্যান্সের প্রবাহ হ্রাস ও অভিবাসী কর্মীদের প্রত্যাবর্তনের মতো নেতিবাচক বিষয়গুলো সমাধান করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর জোর দেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, বিশ্বের সব স্থান থেকে সব ধরনের দারিদ্র্য দূরীভূত করাই এজেন্ডা-২০৩০-এর সর্বোচ্চ লক্ষ্য। আর এজেন্ডা ২০৩০ অর্জন বা দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্ব গঠনের জন্য পর্যাপ্ত সম্পদ ও অর্থায়ন অপরিহার্য। দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশ সরকারের সফলতার কথা তুলে ধরে চলমান মহামারীর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের চিহ্নিত করতে বাংলাদেশ ‘জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক (এমপিআই)’ চালু করেছে মর্মে উল্লেখ করেন তিনি।

চলমান কভিড-১৯ মহামারী দারিদ্র্য বিমোচনের গতিকে শ্লথ করতে পারে মর্মে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা এ বিষয়ে বেশকিছু সুপারিশ তুলে ধরেন। কভিড-১৯ মহামারী পরবর্তী সময়ে পুনরায় বাংলাদেশকে আগের ভালো অবস্থায় ফিরে যেতে রেমিট্যান্স, রফতানি আয়, বৈদেশিক উন্নয়ন সহযোগিতা এবং বেসরকারি খাতের অর্থায়নের উৎসগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য উন্নয়ন অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানান বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশকে সম্ভাব্য যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হতে পারে তা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বর্তমানে বিদ্যমান বিশেষ ও আলাদা সুবিধা এবং বিশেষ সহায়তা বর্ধিত একটি সময় পর্যন্ত বজায় রাখার অনুরোধ জানান।

ডিজিটাল বিভাজন নির্মূলে অবশ্যই উন্নয়নশীল দেশগুলোকে উৎপাদনশীল সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে, মন্তব্য করেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

প্রথম কোয়ার্টারে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৩৬.৮৪ মিলিয়ন ডলার বেশি রপ্তানি

অর্থনীতিবিদ আবু আহমেদ বলেন, রপ্তানির প্রবৃদ্ধি আমাদের অর্থনীতিতে একটা ভাল দিক। আগামি কোয়ার্টার অর্থাৎ অক্টোবর-ডিসেম্বর যদি রপ্তানি বৃদ্ধি ধরে রাখতে পারি তাহলে আমাদের অর্থনীতি...

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত বিনিয়োগবান্ধব

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা মজুদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বেশ কিছু ঘটনা এখানে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে। প্রথমত সরকারের ২ শতাংশ...

বিদেশগামীদের করোনা পরীক্ষার ফি সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা

বেসরকারি হাসপাতালে বিদেশগামী যাত্রীদের কোভিড-১৯ পরীক্ষার ফি সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। বুধবার অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. মো. ফরিদ...

করোনাকালে এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

করোনাভাইরাসের মহামারি চলাকালে এশিয়ার সবগুলো দেশের মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ...

Recent Comments